ads place here

প্রত্যেকে করবে আয় ঘরেবসেই

প্রতিটি শিক্ষার্থীর মুখে হাসি দেখতে চাই যারা ৫-১০ হাজার টাকা আয়ের জন্য অন্তত ৩ ঘণ্টা অনলাইনে কাজ করতে এবং শিখতে ইচ্ছুক, আউটসোর্সিং এ আলাদীনের চেরাগ নেই যে ঘষা দিলে ডলার আপনার অ্যাকাউন্ট এ জমা হবে, এই সেক্টর থেকে আয় করতে হলে পরিশ্রমী হতে হবে কাজ করতে সমস্যা হলে তার সমাধান খুঁজার চেষ্টা করতে হবে ভেঙ্গে পড়া যাবে না, তাহলেই প্রত্যেকে করবে আয় ঘরেবসেই , DHUMAR এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কথা গুলো বলছিলেন Fact Idea Outsourcing School এর CEO রাকিব হাসান (Teacher & Trainer )

তিনি আরো বলেন , ধৈয্য ধারণ করে কাজ করতে হবে ট্রেইনার বা ইনস্টিটিউট গুলোর উপর নির্ভর করা যাবে না , তোমাকে মনে করতে হবে কেও তোমার পাশে নেই শুধু আল্লাহ এবং গুগল সাড়া। কাজ করতে যেয়ে সমস্যার সম্মুখীন হলে গুগলে বা ইউটিউব এ ভিডিও দেখে সে সমস্যার সমাধান করতে হবে.এখানে একটি কথা মনে থাকা জরুরী সকল সমস্যার সমাধান ই অনলাইনে আছে শুধু খুঁজে বের করতে হবে , এখন কত দ্রুত তুমি সেই সমস্যার সমাধান করতে পারবে তার  উপর নির্ভর করবে তুমি কতো টাকা ইনকাম করতে পারবে। তার মানে এখানে একটি কথা পরিষ্কার যাদের সার্চ করার দক্ষতা ভালো তারা ততো বেশি দক্ষ। এখানে আরেক টি কথা মনে থাকা জরুরী সত্যিকার অর্থে কেও অনেক দক্ষ হয়ে কাজ শুরু করে নাই কাজ করতে করতে দক্ষ হয়ে গেছে। তুমিও পারবে এ এমন কোনো কঠিন কাজ নয় .

তুমি যদি ফ্রীলান্সিং করে সফল হতে চাও তাহলে সর্ব প্রথম তোমাকে ফ্রীলান্সিং করা যা এমন যে কোনো একটি বিষয়ের উপর দক্ষ হতে হবে . তার আগে জেনে নাও কোন কাজ টি তোমার জন্য ভালো হবে সেই জন্য তোমার যে কোনো বড় ভাই বা আপুর কাছ থেকে সাহায্য নিতে পারো তাও না পারলে কোনো একটি ইনস্টিটিউট এ যাও এক্সপার্ট দের সাথে কথা বলো , আর তাকে কি জিজ্ঞাসা করবে সেটাই যদি বুজতে না পারো তাহলে তোমার পছন্দের এক্সপার্ট কে বলো তুমি অনলাইন থেকে আয় করতে চাও , কি ভাবে তুমি তা করতে পারো ? তাহলে আমি আশা করি সে তোমাকে সাহায্য করবে এবং তার কথা শুনে তুমিও নিজেও কিছু তথ্য গুগল / ইউটিউব থেকে সংগ্রহ করো এবং কাজ টি শেখার কাজে লেগে যাও , প্রথম অবস্থায় ইনকাম এর কথা ভুলে যাও। ৬ মাস কাজ করো এবং শিখো ৭ মাস থেকে তুমি আউট পুট পাওয়া শুরু করবে ইনশাল্লাহ । সাক্সেস পেতে এই সময় তোমাকে ধৈয্য ধারণ করতেই হবে. তার আগে তুমি সাক্সেস হতে পারবে না।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে আমাদের অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে এই সময় পর্যন্ত অধিকাংশ শিক্ষার্থী তার মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না যার জন্য বাংলাদেশে ফ্রীলান্সিং এ সফলতার হার ১০ পার্সেন্ট আর এই ভাবেই যদি চলতে থাকে তাহলে একসময় বাংলাদেশ থেকে এই ইনকাম সোর্স টি কে কেও বেছে নিতে চাইবে না। তাই এই সেক্টর সম্পর্কে সবার সচেতন হওয়া জরুরী।

তুমি শুরু করো তোমার পথ চলা , আমিও থাকবো তোমার সাথে যেনো আমরা বাংলাদেশ থেকে সঠিক ভাবে রেমিটেন্স নিয়ে আস্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারি.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ads